এটি প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নয়। একজন শিক্ষকের ব্যক্তিগত উদ্যোগবিস্তারিত
BEPZA College Family Chattogramহিসাববিজ্ঞান পাঠশালা ও শিক্ষা-সহায়ক অ্যাপমুহম্মদ জিয়াউর রহমান · সহকারী অধ্যাপক, হিসাববিজ্ঞান

অধ্যায় ৯: ব্যয় ও ব্যয়ের শ্রেণিবিভাগ — লেকচার শিট (হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্র)

অধ্যায় ৯: ব্যয় ও ব্যয়ের শ্রেণিবিভাগ — নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন ও নমুনা উত্তর

হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র · দ্বাদশ শ্রেণি · লেকচার শিট — তাত্ত্বিক আলোচনা · মুহম্মদ জিয়াউর রহমান, সহকারী অধ্যাপক (হিসাববিজ্ঞান)

এই শিটে কী আছে: ব্যয় ও খরচের ধারণা ও পার্থক্য, ব্যয়ের সব ধরনের শ্রেণিবিভাগ (ব্যবস্থাপনা কার্য, ব্যয়ের উদ্দেশ্য, আরোপণের সময়, আচরণ, নিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অনুযায়ী), গুরুত্বপূর্ণ সূত্রসমূহ এবং দুটি সমাধানসহ উদাহরণ। সূত্র: স্যারের নিজস্ব লেকচার শিট। অধ্যায়টির বোর্ড বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো অনুশীলন করতে এখানে ক্লিক করো
১. ব্যয়ের ধারণা (Concept of Cost)

সাধারণ অর্থে ব্যয় বলতে কোনো দ্রব্য বা সেবা সংগ্রহের বিনিময়ে যে অর্থ প্রদান বা তার সমতুল্য কিছু দেওয়া হয় তা বোঝায়। ব্যয়ের মাধ্যমে যে বস্তু বা সেবা পাওয়া যায় তার সুবিধা বর্তমান বা ভবিষ্যৎ — উভয়ই হতে পারে।

সংজ্ঞা: কোনো দ্রব্য বা সেবা উৎপাদন বা সংগ্রহ করার জন্য প্রদত্ত ও প্রদেয় অর্থের সমষ্টিকে ব্যয় বলে। ব্যয় প্রকৃত (Actual) বা অনুমিত (Notional) — উভয় ধরনের হতে পারে। ব্যয় হলো কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত সম্পদের আর্থিক পরিমাপ।

J.L. Hanson: পণ্য বা সেবা উৎপাদনের উদ্দেশ্যে নিয়োজিত উপাদানগুলোর জন্য প্রদত্ত বা প্রদেয় ব্যয়ের সমষ্টিই হলো ব্যয়।

ICMA (England and Wales): ব্যয় বলতে শুধু প্রদেয় ব্যয়ের সমষ্টিই বোঝায় না; ব্যয়ের মধ্যে আরোপিত অবচয় এবং ধারণাগত ব্যয়ও (Notional Expenditure) অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
২. ব্যয় তত্ত্ব (Theory of Cost)

হিসাববিজ্ঞানে ব্যয় বলতে বোঝায় — কোনো পণ্য, সেবা বা কাজকে কেন্দ্র করে সংঘটিত টাকায় পরিমাপযোগ্য ত্যাগ; অর্থাৎ কোনো উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য টাকায় পরিমাপযোগ্য অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের ত্যাগ।

ব্যয় (Cost) = খরচ (Expenses) + ক্ষতি (Loss) + সম্পদ (Asset)

অথবা, ব্যয় = অতিবাহিত ব্যয় (খরচ + ক্ষতি) + অনতিবাহিত ব্যয় (সম্পদ)
ক) খরচ (Expenses)

ব্যয়ের যে অংশের সুবিধা ভোগ করা হয়ে গেছে বা যে অংশ ব্যবহারের মাধ্যমে মুনাফা অর্জিত হয়েছে সে অংশকেই খরচ বলে। অর্থাৎ খরচ হলো মেয়াদোত্তীর্ণ বা অতিবাহিত ব্যয়AICPA-এর মতে, খরচ হলো সব মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যয় যা আয় হতে বাদযোগ্য। উদাহরণ — বিক্রীত পণ্যের উৎপাদন ব্যয়, প্রশাসনিক ব্যয়, বিক্রয় সংক্রান্ত ব্যয়।

খ) ক্ষতি (Loss)

মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যয়ের যে অংশ থেকে কোনো সুবিধা পাওয়া যায় না তাকে ক্ষতি বলে। কোনো সম্পত্তি হঠাৎ নষ্ট হয়ে গেলে বা অপ্রচলিত হয়ে পড়লে তার অনতিবাহিত মূল্যের অবণ্টিত অংশও ক্ষতি। আবার আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হলে সেই বাড়তি ব্যয়কেও ক্ষতি বলা হয়।

গ) সম্পদ (Asset)

ব্যয়ের যে অংশের সুবিধা এখনো ভোগ করা হয়নি, ভবিষ্যতে ভোগ করা হবে — সে অংশকে সম্পদ বলে। সব অনতিবাহিত ব্যয়ই (Unexpired cost) সম্পদ।

৩. ব্যয় ও খরচের মধ্যে পার্থক্য
পার্থক্যের বিষয়ব্যয় (Cost)খরচ (Expense)
১. আওতাআওতা ব্যাপক — অতিবাহিত ও অনতিবাহিত উভয় মূল্যই অন্তর্ভুক্তআওতা তুলনামূলক ছোট — ব্যয়ের কেবল অতিবাহিত অংশ
২. সময় বা কালএক বা একাধিক হিসাবকালের জন্য সংঘটিত হয়; সুবিধা দীর্ঘ বা স্বল্পকালীনসুবিধা স্বল্পকালীন, সাধারণত এক বছরের জন্য
৩. লেনদেনের প্রকৃতিমূলধন জাতীয় ও মুনাফা জাতীয় উভয় লেনদেনই ঘটেকেবল মুনাফা জাতীয় লেনদেন ঘটে
৪. অংশব্যয় = অতিবাহিত + অনতিবাহিত ব্যয়খরচ হলো ব্যয়ের অতিবাহিত অংশ
৫. ভবিষ্যৎ সুবিধাঅনতিবাহিত অংশ থেকে ভবিষ্যতে সুবিধা পাওয়া যাবেভবিষ্যতে সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই
৪. ব্যয়ের সাধারণ শ্রেণিবিভাগ (এক নজরে)
ভিত্তিশ্রেণিসমূহ
১. ব্যবস্থাপনা কার্য অনুযায়ীউৎপাদন ব্যয় ও অ-উৎপাদন ব্যয়
২. ব্যয়ের উদ্দেশ্য অনুযায়ীপ্রত্যক্ষ ব্যয় ও পরোক্ষ ব্যয়
৩. ব্যয় আরোপণের সময় অনুযায়ীপণ্য ব্যয় ও কালীন ব্যয়
৪. ব্যয় আচরণ অনুযায়ীপরিবর্তনশীল, স্থায়ী ও আধা-পরিবর্তনশীল (মিশ্র) ব্যয়
৫. সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্যনিয়ন্ত্রণযোগ্য ও অনিয়ন্ত্রণযোগ্য, প্রমাণ ও প্রকৃত, বর্ধিত/পার্থক্যমূলক, সুযোগ, নিমজ্জিত, প্রান্তিক, আরোপিত ও নির্গত ব্যয়
৫. ব্যবস্থাপনা কার্য অনুযায়ী ব্যয়ের শ্রেণিবিভাগ
ক) উৎপাদন ব্যয় (Manufacturing Cost)

উৎপাদনের সাথে সরাসরি জড়িত ব্যয়কে উৎপাদন ব্যয় বলে। এর তিনটি উপাদান —

১. প্রত্যক্ষ কাঁচামাল: যে কাঁচামালের উপর ভিত্তি করে পণ্য উৎপাদিত হয় এবং যার মূল্য মুখ্য ব্যয়ে অন্তর্ভুক্ত হয়। যেমন — বই উৎপাদনে কাগজ, আসবাবপত্র তৈরিতে কাঠ, জুতা তৈরিতে চামড়া। মেশিনের তেল-মবিল, পরিষ্কারের তুলা, কারখানার মনিহারি ইত্যাদি পরোক্ষ কাঁচামাল, যা উৎপাদন উপরিব্যয়ের অংশ।

২. প্রত্যক্ষ শ্রম: যেসব শ্রমিক তাদের শ্রম দিয়ে কাঁচামালকে সমাপ্ত পণ্যে রূপান্তর করে তাদের শ্রম। এর বিপরীতে প্রদত্ত মূল্যই প্রত্যক্ষ মজুরি। গুদাম থেকে মাল সরবরাহের মজুরির মতো খরচ পরোক্ষ মজুরি — উৎপাদন উপরিব্যয়ের অংশ।

৩. উৎপাদন উপরিব্যয়: প্রত্যক্ষ কাঁচামাল, প্রত্যক্ষ শ্রম ও প্রত্যক্ষ খরচ ছাড়া কারখানার যাবতীয় মুনাফাজাতীয় ব্যয়। যেমন — কারখানার সম্পত্তির অবচয় ও বিমা, গুদাম খরচ, মেরামত খরচ, কারখানা মনিহারি, কারখানা ভাড়া, কর ও বিদ্যুৎ। একে কারখানা উপরিব্যয়ও বলা হয়।

প্রত্যক্ষ কাঁচামাল + প্রত্যক্ষ মজুরি = মুখ্য ব্যয় (Prime Cost)
প্রত্যক্ষ মজুরি + উৎপাদন উপরিব্যয় = রূপান্তর ব্যয় (Conversion Cost)
প্রত্যক্ষ কাঁচামাল + প্রত্যক্ষ মজুরি + উৎপাদন উপরিব্যয় = উৎপাদন ব্যয়

উৎপাদন ব্যয় = মুখ্য ব্যয় + কারখানা/উৎপাদন উপরিব্যয়
খ) অ-উৎপাদন ব্যয় (Non-manufacturing Cost)

উৎপাদনের সাথে জড়িত নয়, বরং পণ্যকে বাজারযোগ্য স্তরে পৌঁছাতে ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় যে ব্যয় হয় তাকে অ-উৎপাদন ব্যয় বলে। একে বাণিজ্যিক বা পরিচালন ব্যয়ও বলা হয়। এর দুটি ভাগ —

১. বাজারজাতকরণ বা বিক্রয় ব্যয়: বিজ্ঞাপন ব্যয়, বিক্রয়কর্মীর বেতন-কমিশন, দালালের কমিশন, বিক্রয়কেন্দ্রের যাবতীয় ব্যয় ইত্যাদি।
২. প্রশাসনিক ব্যয়: অফিস ভাড়া, কর, মনিহারি, অফিস কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, অফিস যন্ত্রপাতির অবচয়, বিদ্যুৎ ব্যয় ইত্যাদি।

অ-উৎপাদন ব্যয় = অফিস ও প্রশাসনিক উপরিব্যয় + বিক্রয় ও বণ্টন উপরিব্যয়
উদাহরণ-০১ — উৎপাদন ও অ-উৎপাদন ব্যয়

একটি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যয়গুলো: প্রত্যক্ষ কাঁচামাল ৩,০০,০০০ টাকা, প্রত্যক্ষ মজুরি ১,২৫,০০০ টাকা, প্রত্যক্ষ খরচ ২৫,০০০ টাকা, পরোক্ষ কাঁচামাল ১৫,০০০ টাকা, পরোক্ষ মজুরি ২০,০০০ টাকা, কারখানা ভাড়া ২৫,০০০ টাকা, শক্তি ও তাপ ১০,০০০ টাকা, কারখানার আসবাবপত্রের মেরামত খরচ ৩,০০০ টাকা, কলকব্জা ও যন্ত্রপাতির অবচয় ৫,০০০ টাকা, ফোরম্যানের বেতন ১৫,০০০ টাকা, অফিস কর্মচারীর বেতন ৩৫,০০০ টাকা, নিরীক্ষা ফিস ১২,০০০ টাকা, সাপ্লাইজ খরচ ৭,৫০০ টাকা, আইন খরচ ১০,০০০ টাকা, অফিস সরঞ্জামের অবচয় ৬,০০০ টাকা, বিজ্ঞাপন খরচ ১৩,০০০ টাকা, বিক্রয়কর্মীর বেতন ১০,০০০ টাকা, অনাদায়ী পাওনা ২,০০০ টাকা ও বিতরণ খরচ ৫,৫০০ টাকা।

  • ক)উৎপাদন ব্যয়গুলো চিহ্নিত করে মোট পরিমাণ নির্ণয় করো।
  • খ)অ-উৎপাদন ব্যয়গুলো চিহ্নিত করে মোট পরিমাণ নির্ণয় করো।
সমাধান দেখো
ক) উৎপাদন ব্যয় নির্ণয়
বিবরণটাকাটাকা
১। প্রত্যক্ষ/মুখ্য ব্যয়
প্রত্যক্ষ কাঁচামাল৩,০০,০০০
প্রত্যক্ষ মজুরি১,২৫,০০০
প্রত্যক্ষ খরচ২৫,০০০৪,৫০,০০০
২। কারখানা/উৎপাদন উপরিব্যয়
পরোক্ষ কাঁচামাল১৫,০০০
পরোক্ষ মজুরি২০,০০০
কারখানা ভাড়া২৫,০০০
শক্তি ও তাপ১০,০০০
কারখানার আসবাবপত্রের মেরামত খরচ৩,০০০
কলকব্জা ও যন্ত্রপাতির অবচয়৫,০০০
ফোরম্যানের বেতন১৫,০০০৯৩,০০০
উৎপাদন ব্যয়৫,৪৩,০০০
খ) অ-উৎপাদন ব্যয় নির্ণয়
বিবরণটাকাটাকা
১। অফিস ও প্রশাসনিক উপরিব্যয়
অফিস কর্মচারীর বেতন৩৫,০০০
নিরীক্ষা ফিস১২,০০০
সাপ্লাইজ খরচ৭,৫০০
আইন খরচ১০,০০০
অফিস সরঞ্জামের অবচয়৬,০০০৭০,৫০০
২। বিক্রয় ও বণ্টন উপরিব্যয়
বিজ্ঞাপন খরচ১৩,০০০
বিক্রয়কর্মীর বেতন১০,০০০
অনাদায়ী পাওনা২,০০০
বিতরণ খরচ৫,৫০০৩০,৫০০
অ-উৎপাদন ব্যয়১,০১,০০০
৬. ব্যয়ের উদ্দেশ্য অনুযায়ী শ্রেণিবিভাগ

প্রত্যক্ষ ব্যয়: যে ব্যয় প্রত্যেকটি পণ্যের জন্য আলাদাভাবে চিহ্নিত করা যায়। মূলত প্রত্যক্ষ কাঁচামাল ও প্রত্যক্ষ শ্রম। যেমন — একটি টেবিল তৈরিতে যে কাঠ ও শ্রম লাগে।
পরোক্ষ ব্যয়: যে ব্যয় প্রতিটি পণ্যের জন্য আলাদা করে চিহ্নিত করা যায় না। যেমন — একটি টেবিলের পেছনে কতটুকু কারখানা বা অফিস খরচ হয়েছে তা নির্দিষ্ট করা যায় না।

৭. ব্যয় আরোপণের সময় অনুযায়ী — পণ্য ব্যয় ও কালীন ব্যয়
পণ্য ব্যয় (Product Cost)

একটি পণ্য উৎপাদন করতে যে ব্যয় ঐ পণ্যের সাথে সংযুক্ত থাকে তাকে পণ্য ব্যয় বলে — প্রত্যক্ষ কাঁচামাল, প্রত্যক্ষ মজুরি, প্রত্যক্ষ অন্যান্য ব্যয় ও উৎপাদন উপরিব্যয়। এ ব্যয় পণ্যকে বিক্রয়যোগ্য করে মজুদ করে বলে একে মজুদপণ্যযোগ্য ব্যয় (Inventoriable Cost)-ও বলা হয়।

পণ্য বিক্রয় না হওয়া পর্যন্ত পণ্য ব্যয় সম্পদ হিসেবে গণ্য হয়; বিক্রয় হলে তা বিক্রীত পণ্যের ব্যয় হিসেবে আয় বিবরণীতে বিক্রয় থেকে বাদ দেওয়া হয় এবং অবিক্রীত অংশ আর্থিক অবস্থার বিবরণীতে দেখানো হয়। পণ্য ব্যয়কে উৎপাদিত একক দ্বারা ভাগ করলে একক প্রতি উৎপাদন ব্যয় পাওয়া যায়।
কালীন ব্যয় (Period Cost)

পণ্য ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত নয় এমন ব্যয়কে কালীন ব্যয় বলে; এটি সময়ের সাথে সম্পর্কিত এবং ঐ সময়ের আয় থেকেই নিষ্পত্তি করতে হয়। সাধারণত অফিস ও প্রশাসনিক উপরিব্যয় এবং বিক্রয় ও বণ্টন উপরিব্যয় কালীন ব্যয়। উদাহরণ — বিক্রয় কমিশন, অফিস ভাড়া, বিজ্ঞাপন খরচ, নির্বাহীদের বেতন। একক উৎপাদন ব্যয় নির্ণয়ে কালীন ব্যয়কে উৎপাদিত একক দ্বারা ভাগ করা হয় না।

উদাহরণ-০২ — পণ্য ব্যয় ও কালীন ব্যয়

উদাহরণ-০১ এর একই ব্যয়গুলো ব্যবহার করে — (ক) পণ্য ব্যয়গুলো চিহ্নিত করে মোট পরিমাণ এবং (খ) কালীন ব্যয়গুলো চিহ্নিত করে মোট পরিমাণ নির্ণয় করো।

সমাধান দেখো
ক) পণ্য ব্যয়
বিবরণটাকাটাকা
১। প্রত্যক্ষ/মুখ্য ব্যয়
প্রত্যক্ষ কাঁচামাল৩,০০,০০০
প্রত্যক্ষ মজুরি১,২৫,০০০
প্রত্যক্ষ খরচ২৫,০০০৪,৫০,০০০
২। কারখানা/উৎপাদন উপরিব্যয়
পরোক্ষ কাঁচামাল, পরোক্ষ মজুরি, কারখানা ভাড়া, শক্তি ও তাপ, কারখানার আসবাবপত্রের মেরামত, কলকব্জার অবচয় ও ফোরম্যানের বেতন৯৩,০০০
পণ্য / উৎপাদন ব্যয়৫,৪৩,০০০
খ) কালীন ব্যয়
বিবরণটাকাটাকা
১। অফিস ও প্রশাসনিক উপরিব্যয় (বেতন ৩৫,০০০ + নিরীক্ষা ফিস ১২,০০০ + সাপ্লাইজ ৭,৫০০ + আইন খরচ ১০,০০০ + অবচয় ৬,০০০)৭০,৫০০
২। বিক্রয় ও বণ্টন উপরিব্যয় (বিজ্ঞাপন ১৩,০০০ + বিক্রয়কর্মীর বেতন ১০,০০০ + অনাদায়ী পাওনা ২,০০০ + বিতরণ খরচ ৫,৫০০)৩০,৫০০
কালীন ব্যয়১,০১,০০০
লক্ষ করো — একই ব্যয়গুলোই ব্যবস্থাপনা কার্যের ভিত্তিতে উৎপাদন/অ-উৎপাদন ব্যয় এবং আরোপণের সময়ের ভিত্তিতে পণ্য/কালীন ব্যয় নামে দুইভাবে সাজানো হয়েছে। প্রশ্নে কোন ভিত্তির কথা বলা হয়েছে সেটিই ভালো করে দেখো।
৮. ব্যয় আচরণ অনুযায়ী শ্রেণিবিভাগ (Cost Behaviour)

প্রতিষ্ঠানের কার্যমাত্রা পরিবর্তনের সাথে ব্যয়ের যে প্রতিক্রিয়া হয় তাকে ব্যয় আচরণ বলে। আচরণের ভিত্তিতে ব্যয় তিন প্রকার

ধরনসংজ্ঞা ও উদাহরণবৈশিষ্ট্য
পরিবর্তনশীল ব্যয়উৎপাদনের হ্রাস-বৃদ্ধিতে সরাসরি ও আনুপাতিক হারে যে ব্যয়ের মোট পরিমাণ বদলায়। যেমন — প্রত্যক্ষ কাঁচামাল, প্রত্যক্ষ মজুরি, কারখানা জ্বালানি।মোট পরিমাণ পরিবর্তনশীল; একক প্রতি ব্যয় স্থির; সহজে নিয়ন্ত্রণযোগ্য।
স্থায়ী ব্যয়একটি নির্দিষ্ট কার্যস্তর পর্যন্ত উৎপাদন কম-বেশি হলেও যে ব্যয় বদলায় না। যেমন — কারখানা ভাড়া, ব্যবস্থাপকের বেতন, দালানের অবচয়।মোট ব্যয় স্থির; একক প্রতি ব্যয় উৎপাদনের সাথে হ্রাস-বৃদ্ধি পায়।
মিশ্র/আধা-পরিবর্তনশীল ব্যয়যে ব্যয়ের একটি অংশ স্থির ও অন্য অংশ পরিবর্তনশীল। যেমন — টেলিফোন বিল, বিদ্যুৎ বিল।আনুপাতিক হারে হ্রাস-বৃদ্ধি পায় না; উভয় অংশ আলাদা করে বিশ্লেষণ করতে হয়।
৯. নিয়ন্ত্রণ ভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ

নিয়ন্ত্রণযোগ্য ব্যয়: যে ব্যয় ব্যবস্থাপনার আয়ত্তের মধ্যে থাকে এবং ইচ্ছা করলে হ্রাস-বৃদ্ধি করা যায়। পরিবর্তনশীল ব্যয় সাধারণত নিয়ন্ত্রণযোগ্য। যে ব্যয়কেন্দ্রে ব্যয়টি সংঘটিত হয় সেখানেই তা নিয়ন্ত্রিত হয়।
অনিয়ন্ত্রণযোগ্য ব্যয়: যে ব্যয় ব্যবস্থাপনার আয়ত্তের বাইরে। যেমন — চুক্তি অনুযায়ী বাড়ি ভাড়া, স্থায়ী কর্মচারীদের বেতন।

মনে রেখো — অনিয়ন্ত্রণযোগ্যতা সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। দীর্ঘ মেয়াদে প্রায় সব ব্যয়ই নিয়ন্ত্রণযোগ্য; যেমন ভাড়ার চুক্তির মেয়াদ শেষে নতুন হারে আলোচনা করা গেলে তা নিয়ন্ত্রণযোগ্য হয়ে যায়।
১০. হিসাবকালের সাথে সম্পর্কের ভিত্তিতে

মুনাফাজাতীয় ব্যয়: যে ব্যয়ের সুবিধা সংশ্লিষ্ট হিসাবকালেই ভোগ করা হয়। যেমন — মজুরি, বেতন, কারখানা ও অফিস ভাড়া, বিদ্যুৎ, পরিবহন, মেরামত ও অবচয়।
মূলধনজাতীয় ব্যয়: যে ব্যয়ের ফল একাধিক হিসাবকাল ধরে পাওয়া যায়। যেমন — দালানকোঠা, আসবাবপত্র, কলকব্জা ও স্থায়ী সম্পদ ক্রয় এবং তার পরিবহন ও সংস্থাপন ব্যয়, সম্পদের কার্যকরী ক্ষমতা বৃদ্ধিজনিত ব্যয়।

প্রাথমিক খরচ, অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন ব্যয় ও গবেষণা-উন্নয়ন ব্যয় একাধিক হিসাবকালে সুবিধা দিলেও এগুলোকে মূলধনজাতীয় ব্যয় বলা হয় না — এগুলো বিলম্বিত মুনাফাজাতীয় ব্যয়
১১. ব্যয় নির্ধারণের সময় ও উপাত্তের ভিত্তিতে
শ্রেণিব্যাখ্যা
প্রকৃত বা ঐতিহাসিক ব্যয় (Historical Cost)যে ব্যয় প্রকৃতপক্ষে হয়ে গেছে। যেমন — ব্রিজ, রাস্তাঘাট ও দালানকোঠার নির্মাণ ব্যয়।
পূর্বনির্ধারিত ব্যয় (Predetermined Cost)আগামী হিসাবকালে উৎপাদন ব্যয় কত হওয়া উচিত তা আগেই নির্ধারণ করা। একেই মূলত প্রমাণ ব্যয় বা বাজেটারি নিয়ন্ত্রণ বলে।
স্পট ব্যয় (Explicit Cost)হিসাবের বইতে লিপিবদ্ধ প্রকৃত ব্যয়।
আনুমানিক ব্যয় (Implicit Cost)যে ব্যয়ের বিপক্ষে কোনো দলিল নেই, কিন্তু বিশেষ প্রয়োজনে নির্ধারণ করতে হয় — যেমন মালিকের নিজ দালানের ভাড়া বা মালিকের মূলধনের সুদ।
পৃথক ব্যয় (Separate Cost)কোনো বিশেষ পণ্যের জন্য করা ব্যয় — যেমন ডিজাইন ব্যয়।
যৌথ ব্যয় (Joint Cost)একই প্রক্রিয়ায় একাধিক পণ্য উৎপাদনের ব্যয় — যেমন একসাথে চিনি ও চিটাগুড় উৎপাদনের ব্যয়।
সাধারণ ব্যয় (Common Cost)প্রতিষ্ঠানের সব বিভাগ যে ব্যয়ের উপযোগ ভোগ করে — যেমন সাধারণ ব্যবস্থাপকের বেতন।
১২. সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্পর্কিত ব্যয়সমূহ
প্রাসঙ্গিক ও অপ্রাসঙ্গিক ব্যয় (Relevant and Irrelevant Cost)

একাধিক বিকল্পের মধ্য থেকে সঠিকটি বেছে নিতে যেসব ভবিষ্যৎ ব্যয় বিবেচনা করা হয় এবং যা বিকল্পভেদে ভিন্ন হয় — তা প্রাসঙ্গিক ব্যয়। আর যেসব ব্যয় বিকল্পের মধ্যে কোনো পার্থক্য তৈরি করে না, তা অপ্রাসঙ্গিক ব্যয়।

প্রাসঙ্গিক ব্যয়ের বৈশিষ্ট্য: (১) এটি ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত; (২) বিভিন্ন বিকল্পে এর পরিমাণ ভিন্ন হয়; (৩) সব ভবিষ্যৎ ব্যয়ই প্রাসঙ্গিক নয়; (৪) বিকল্পের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করতে হয়।
উদাহরণ: নিউ এলিগেন্স কোম্পানি ১,০০,০০০ টাকা ব্যয়ে বাজার গবেষণা করে সোয়েটার উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেয়। ২০,০০০ সোয়েটার প্রতিটি ১০০ টাকায় বিক্রয়; একক প্রতি পরিবর্তনশীল ব্যয় ৮০ টাকা।

প্রাসঙ্গিক ব্যয় = ২০,০০০ × ৮০ = ১৬,০০,০০০ টাকা
অপ্রাসঙ্গিক ব্যয় = বাজার গবেষণা ব্যয় ১,০০,০০০ টাকা (ইতোমধ্যে খরচ হয়ে গেছে)
সুযোগ ব্যয় (Opportunity Cost)

সর্বোত্তম বিকল্প গ্রহণ করায় বর্জিত বিকল্প থেকে যে সুযোগ ত্যাগ করতে হয় তাই সুযোগ ব্যয়। এর জন্য কোনো অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয় না, তবুও সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিবেচনা করতে হয়। যেমন — কাঠের ব্যবসায় ৫০,০০০ টাকা আয় করা যেত, কিন্তু তিনি আসবাবপত্রের ব্যবসা করলেন; এক্ষেত্রে আসবাবপত্র ব্যবসায়ের সুযোগ ব্যয় ৫০,০০০ টাকা।

তুলনামূলক বা পার্থক্যমূলক ব্যয় (Differential / Incremental Cost)

দুটি বিকল্প কর্মপন্থার মোট ব্যয়ের মধ্যে যে পার্থক্য তৈরি হয় তাকে তুলনামূলক বা পার্থক্যমূলক ব্যয় বলে। এই মোট ব্যয়ের মধ্যে স্থায়ী, পরিবর্তনশীল ও আধা-পরিবর্তনশীল — সব ধরনের ব্যয় থাকতে পারে।

উদাহরণ ১: স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতিতে উৎপাদন ব্যয় ১,৬০,০০০ টাকা, সাধারণ যন্ত্রপাতিতে ১,৯০,০০০ টাকা। পার্থক্যমূলক ব্যয় = ১,৯০,০০০ − ১,৬০,০০০ = ৩০,০০০ টাকা

উদাহরণ ২: দোকান থেকে প্যান্ট ও শার্ট কিনলে লাগে ৫,০০০ টাকা; নিজে বানালে কাপড় ৩,০০০ + মজুরি ১,৫০০ = ৪,৫০০ টাকা। পার্থক্যমূলক ব্যয় = ৫,০০০ − ৪,৫০০ = ৫০০ টাকা
নিমজ্জিত বা ডুবন্ত ব্যয় (Sunk Cost)

যে ব্যয় অতীতে সংঘটিত হয়েছে এবং আর উদ্ধার করা যায় না তাকে নিমজ্জিত ব্যয় বলে। এটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত দ্বারা পরিবর্তন করা যায় না, তাই সিদ্ধান্ত গ্রহণে একে অপ্রাসঙ্গিক ধরা হয়।

উদাহরণ: মি. জামিল ৪ বছর পূর্বে ৫০,০০০ টাকায় আসবাবপত্র ক্রয় করে ১০ বছর আয়ুষ্কাল ধরে অবচয় ধার্য করছেন। বর্তমান পুস্তকমূল্য ৩০,০০০ টাকা। এখন তা ২৫,০০০ টাকায় বিক্রয় করা হলো।

নিমজ্জিত ব্যয় = পুস্তকমূল্য − বিক্রয়মূল্য = ৩০,০০০ − ২৫,০০০ = ৫,০০০ টাকা
আরও যেসব ব্যয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে আসে
ব্যয়ব্যাখ্যা
প্রমাণ ব্যয় ও প্রকৃত ব্যয়পূর্বে নির্ধারিত ব্যয় হলো প্রমাণ ব্যয়; প্রকৃতপক্ষে যা খরচ হয় তা প্রকৃত ব্যয়। প্রমাণ ব্যয় প্রকৃত ব্যয়ের চেয়ে বড় হলে অনুকূল বিচ্যুতি, ছোট হলে প্রতিকূল বিচ্যুতি।
প্রান্তিক ব্যয় (Marginal Cost)উৎপাদনের পরিমাণ পরিবর্তনে পরিবর্তনশীল ব্যয়ের যে পরিবর্তন ঘটে। প্রান্তিক ব্যয় = প্রত্যক্ষ কাঁচামাল + প্রত্যক্ষ শ্রম + পরিবর্তনশীল উপরিব্যয়।
আরোপিত ব্যয় (Imputed Cost)যে ব্যয়ে নগদের বহির্গমন ঘটে না ও আর্থিক বিবরণীতে দেখানো হয় না, কেবল সিদ্ধান্তের জন্য বিবেচনা করা হয় — যেমন মালিকের মূলধনের সুদ, নিজ দালানের ভাড়া।
নির্গত বা পকেট হতে ব্যয় (Out of Pocket Cost)নতুন সিদ্ধান্তের ফলে যে পরিমাণ নগদ অর্থ ব্যয় হয়। ক্রয় না প্রস্তুত (Make or Buy) সিদ্ধান্তে এটি প্রাসঙ্গিক।
পরিহারযোগ্য ও অপরিহার্যযোগ্য ব্যয়উৎপাদন প্রক্রিয়া বা সংগঠন বদলে যে ব্যয় বর্জন করা যায় তা পরিহারযোগ্য (যেমন শ্রমিকের মজুরি); যা বর্জন করা যায় না তা অপরিহার্যযোগ্য (যেমন বাড়ি ভাড়া, স্থায়ী কর্মচারীর বেতন)।
উৎপাদন বন্ধ সংক্রান্ত ব্যয় (Shutdown Cost)কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও যে ব্যয় চলতেই থাকে — যেমন যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তাকর্মীর বেতন। সিদ্ধান্ত গ্রহণে এটি প্রাসঙ্গিক।
পরিত্যাগ সংক্রান্ত ব্যয় (Abandoning Cost)কোনো সম্পত্তি বা প্রকল্প পরিত্যাগ করতে যে ব্যয় হয় — যেমন পুরনো অকেজো যন্ত্র অপসারণের খরচ।
প্রিয় শিক্ষার্থী, এই অধ্যায়ে মুখস্থ করার চেয়ে ভিত্তি চেনা বেশি জরুরি — প্রশ্নে কোন ভিত্তির কথা বলা হয়েছে সেটি ধরতে পারলেই উত্তর সহজ। মনে রেখো: ব্যয় = খরচ + ক্ষতি + সম্পদ; মুখ্য ব্যয় = প্রত্যক্ষ কাঁচামাল + প্রত্যক্ষ মজুরি; রূপান্তর ব্যয় = প্রত্যক্ষ মজুরি + উৎপাদন উপরিব্যয়; আচরণের ভিত্তিতে ব্যয় তিন প্রকার; আর সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিমজ্জিত ব্যয় কখনোই বিবেচনায় আসে না। এই শিটটি পড়া শেষ হলে অধ্যায়টির বোর্ড বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো অনুশীলন করে নিজেকে যাচাই করো।
📌 অধ্যায় ৯ · ব্যয় ও ব্যয়ের শ্রেণিবিভাগ — কোন বছরের বোর্ড প্রশ্ন অনুশীলন করবে

তোমরা যারা এখন দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ছ, তাদের এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৭ সালে। তাই বিগত ৩–৪ বছরের বোর্ড প্রশ্ন সমাধান করাই সবচেয়ে বেশি কাজে দেবে। এই অধ্যায়ের জন্য নিচের প্রশ্নপত্রগুলো ধারাবাহিকভাবে চর্চা করো —

  • ২০২৬ সাল: এ বছর সকল শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে হিসাববিজ্ঞান পরীক্ষা হয়েছে — অর্থাৎ একটিমাত্র প্রশ্নপত্র। তবে বন্যার কারণে পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে আলাদা প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয়েছে। দুটি প্রশ্নপত্রই সমাধান করবে।
  • ২০২৫ সাল: সকল শিক্ষা বোর্ডের প্রশ্ন।
  • ২০২৪ সাল: সকল শিক্ষা বোর্ডের প্রশ্ন।
মনে রাখবে: ২০২৬ সালে নিয়মিত পরীক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ সিলেবাসে এবং অনিয়মিত পরীক্ষার্থীরা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা দিয়েছে।
একটি বিশেষ পরামর্শ: ২০২০ সাল থেকে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে প্রশ্ন হওয়ায় বিগত কয়েক বছরের বোর্ড প্রশ্নপত্রে হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্রের অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের হিসাব, নগদ প্রবাহ বিবরণীব্যবস্থাপনা হিসাববিজ্ঞান পরিচিতি — এই তিনটি অধ্যায়ের প্রশ্ন নেই। ওই তিনটি অধ্যায়ের জন্য ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালের বোর্ড প্রশ্নগুলো চর্চা করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More Articles & Posts

🔍 খুঁজুন

🆕 সর্বশেষ পোস্ট

লোড হচ্ছে…

📘 ফেসবুকে যুক্ত থাকো

HSC Accounting — MZRকলেজের ফেসবুক পেজ

ℹ️ এই সাইট সম্পর্কে

এটি প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নয় — বেপজা পাবলিক স্কুল ও কলেজের একজন শিক্ষকের ব্যক্তিগত উদ্যোগ। দাপ্তরিক তথ্যের জন্য অফিসিয়াল সাইট দেখুন। বিস্তারিত